সামাজিক

লাবণ্য তৃষ্ণা – সংখ্যা ১.১.০

পরের দিন সকালে অ্যালার্মের হালকা আওয়াজে সবার আগে সুতপারই ঘুম ভাঙল। পাশে তাকিয়ে দেখল অরিন্দম তখনও গভীর ঘুমে, মুখে ক্লান্তির […]

লাবণ্য তৃষ্ণা – সংখ্যা ১.১.০ আরো পড়ুন...

সামাজিক

লাবণ্য তৃষ্ণা – সংখ্যা ১.০.৯

একদিন শনিবার সন্ধ্যায়, অফিস থেকে একটু আগে ফিরতে পেরে অরিন্দম দেখল, সুতপা বারান্দায় দাঁড়িয়ে কাপড় গুছোচ্ছে। আকাশে তখন কমলা রঙের

লাবণ্য তৃষ্ণা – সংখ্যা ১.০.৯ আরো পড়ুন...

সামাজিক

লাবণ্য তৃষ্ণা – সংখ্যা ১.০.৮

এই সময়েই তার কর্মজীবনও ধীরে ধীরে স্থির এবং দৃঢ় হতে শুরু করল। অফিসে প্রথমদিকে সে শুধুই ছোটখাটো কাজ করত—কাগজপত্র সাজানো,

লাবণ্য তৃষ্ণা – সংখ্যা ১.০.৮ আরো পড়ুন...

সামাজিক

লাবণ্য তৃষ্ণা – সংখ্যা ১.০.৬

পার্কের ভেতরে, কথার ঘনতা পার্কের ভেতরে ঢুকতেই বাইরের রাস্তার শব্দ একটু দূরে সরে গেল।গাছের তলায় কয়েকটি বাচ্চা লুকোচুরি খেলছে,দু’পাশে দুই

লাবণ্য তৃষ্ণা – সংখ্যা ১.০.৬ আরো পড়ুন...

সামাজিক

লাবণ্য তৃষ্ণা – সংখ্যা ১.০.৫

অনিন্দিতা চায়ের কাপ নামিয়ে রাখল।“আপনি আপনার ছেলের কথা বলছিলেন…”“হ্যাঁ, অলোক।” তার গলায় নরম সুর।“ওকে রেখে আপনি আজ এখানে?”—প্রশ্নটা খুব নিঃসন্দেহ, আবার

লাবণ্য তৃষ্ণা – সংখ্যা ১.০.৫ আরো পড়ুন...

Scroll to Top